ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসি রিভিউ


ওয়ালটন গেমিং পিসি রিভিউ

ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসি রিভিউ

 

বর্তমান বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বে আমরা সবাই জানি পিসি মার্কেটে দুঃসময় চলছে অনেকদিন ধরেই। GPU সহ বেশ কিছু কম্পোনেন্ট এর দাম অস্বাভাবিক বেশি থাকার কারণে বেশিরভাগ মানুষই পিসি বানাতে পারছে না। এই মুহুর্তে ওয়াল্টন আমাদের জন্য লঞ্চ করেছে ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসি। ৬৭ হাজারের এই পিসিতে GTX 1650 থাকায় মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে এখন এই ওয়ালটন গেমিং পিসিটি। এই কারণে ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব যে আমাদের জন্য পিসিটি ভালো হবে নাকি খারাপ হবে। আপনি যদি ওয়ালটনের গেমিং পিসিটি কিনতে চান অথবা এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ পড়ুন।

 

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড পিসি মার্কেটে বিশেষ করে গ্রাফিক্স কার্ডের যে সংকট যখন চলছে, ওয়াল্টন নিয়ে এসেছে চমৎকার একটা প্রি বিল্ট সিস্টেম। এটায় দেয়া আছে Ryzen 5 3600 প্রসেসর আর GTX 1650 গ্রাফিক্স কার্ডের কম্বো। আমরা টেস্ট করে দেখেছি এটা কেমন পারফর্ম করতে পারে, এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা নিচে দেওয়া আছে।

 

আমরা প্রথম ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসি স্পেসিফিকেশনের দিকে নজর দিব ও দেখবো যে দাম অনুসারে পিসিটি কতটুকু ভালো, আরো আলোচনা করবো একটি কাস্টম বিল্ড হলে কি কি জিনিস এখানে পরিবর্তন করা উচিত ছিল বা পরিবর্তন করা যেত, আর বর্তমান বাজারে এই দামে কি পিসি বিল্ড করা সম্ভব সেটিও দেখবো। প্রথমে দাম নিয়ে আলোচনা করা যায়। এই পিসিটির রেগুলার প্রাইস ৬৭৭৫০ টাকা কিন্ত Walton Eplaza তে ৬২ হাজারে কিনতে পারবেন। ওয়াল্টনের তথ্য অনুসারে bangladeh gamer এর রেফারেন্স দিলেও ৬২ হাজারেই ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসি খুব সহজেই কিনতে পারবেন। তাছাড়া আপনি চাইলে এই ওয়ালটন গেমিং পিসিটি যেকোনো ওয়ালটন শোরুম থেকে কিস্তিতে মাধ্যমে কিনতে পারবেন অথবা ইএমআই এর সুবিধার মাধ্যমে কিনতে পারবেন।

 

এই ওয়ালটন গেমিং পিসি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার জন্য নিচে থাকা PC Builder Bangladesh ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিওটি দেখতে পারেন। নিচে থাকা ভিডিওটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসি সম্পর্কে। আশা করি নিচে থাকা ভিডিওটি আপনাদের কাছে অনেক অনেক বেশি ভালো লাগবে। তাহলে এখনি দেরি না করে নিচে থাকা ভিডিওটি মনোযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ দেখুন। অবশ্যই নিচে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন যে বিবৃতি আপনার কাছে কীরকম লেগেছে।

 

 

ভালোভাবে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ওয়ালটন এই গেমিং পিসি তে কি কি কম্পোনেন্ট ব্যবহার করেছে। কম্পোনেন্ট এর দাম ও কম্পোনেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা নিচে দেওয়া আছে। তাহলে এখনি দেরি না করে দেখে নিন।


Ryzen 5 3600 প্রসেসর

Ryzen 5 3600 গেমিং প্রসেসর

এই ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসিতে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে AMD এর গত এক দশকের মধ্যে অন্যতম সফল রিলিজ Ryzen 5 3600 প্রসেসর। ধামের কথা চিন্তা করলে আমি মনে করি প্রসেসরটি অনেক ভালো হয়েছে। এই প্রসেসরটির সাহায্যে বর্তমান সময় সব ধরনের গেম খেলতে পারবে। তাছাড়া ভিডিও এডিটিং ও গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ গুলো খুব ভালোভাবে করা যাবে। বর্তমানে Ryzen 5 3600 প্রসেসরটি বাংলাদেশ বাজার মূল্য 16500 টাকা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।


B450M S2H V2 মাদারবোর্ড

Gigabyte B450M মাদারবোর্ড

ই ওয়ালটন গেমিং পিসিপিসিতে মাদারবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করছে Gigabyte এর B450M S2H V2 মাদারবোর্ড। এটি একটি Micro ATX Form Factor এর বোর্ড বেসিক মাদার্বোর্ড। র‍্যাম স্লট রয়েছে দুটি, পর্যাপ্ত SATA3 স্লট সহ ডিসপ্লে আউটপুট, রেগুলার I/O পোর্ট সবই রয়েছে। এই বোর্ডের VRM খুব সলিড না হলেও কাজ চলে যাওয়ার মত। ওয়ালটন ইচ্ছা করলে আরো ভালো মাদারবোর্ড ব্যবহার করতে পারত দামটা সামান্য একটু বাড়িয়ে। তবে যেকোনো কাস্টম বিল্ডের ক্ষেত্রেই এই বাজেটরেঞ্জে (টোটাল বাজেট) অন্যন্য অপশনই বেছে নেওয়া যেত। ৯০% ইউজারই আরো কিছুটা টাকা বাড়িয়ে অন্যন্য যেসব অপশন রয়েছে যেমন গিগাবাইট এরই B450M DS3H (যেটির র‍্যাম স্লট রয়েছে ৪টা), বা Asrock B450M HDV,MSI B450M PRO-VDH MAX মাদারবোর্ড । কাজ চালানোর মত আমি মনে করি কিন্তু ওয়ালটন চাইলে আরো ভাল করতে পারতো এই জায়গায়।


GTX 1650 4GB গ্রাফিক্সকার্ড

GTX 1650 4GB গ্রাফিক্সকার্ড

ওয়াল্টনের গ্রাফিক্সকার্ড হিসেবে ব্যবহার করেছে GTX 1650 4GB (DDDR6 Edition) গ্রাফিক্সকার্ড কার্ডটি সাধারণ সময়ে দাম ১৪-১৬ হাজার টাকা। কিন্ত বর্তমানে একটি GTX 1650 বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫/৩৫ হাজার টাকার মধ্যে(কখনো কখনো আরো বেশি)। অর্থাৎ বর্তমান বাজারের হিসেবে আপনি এই পিসিতে পেয়ে যাচ্ছেন একটি ৪০/৩৫ হাজার টাকার সমমুল্যের গ্রাফিক্স কার্ড। দামের কারণেই ৬০-৭০ হাজারে GTX 1650/1650 Super দিয়ে পিসি বিল্ড এক প্রকার অসম্ভব বর্তমানে। সেজন্যই এই কার্ডটির কারণেই এই পিসিটি হয়ে গিয়েছে Unbeatable একটি পিসি। আমি মনে করি বর্তমান সময়ের করার চিন্তা করলেও ওয়ালটনের এই গ্রাফিক্স কার্ডটি এই সময় ব্যবহার করা ভালো হয়েছে। গ্রাফিক্স কার্ড হচ্ছে সেই কম্পোনেন্ট এই পিসির, যা এই মুহুর্তে, এই ঘোর বিপদের সময় এই পিসিটিকে অনন্য করে তুলেছে।


Antique M.2 SSD স্টোরেজ

Antique M.2 SSD স্টোরেজ

স্টোরেজ হিসেবে ওয়ালটন গেমিং পিসিতে ব্যবহার করেছে তাদের নিজেদের Antique M.2 SSD স্টোরেজ। সাথে Seagate BarraCuda 1TB 7200RPM হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ থাকছে সেকেন্ডারি। ডাটা ড্রাইভ বা Hard disk টি নিয়ে কমপ্লেন এর জায়গা একেবারেই নেই, স্টোরেজ সবসময় ইউজার প্রিফারেন্স এর উপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন হয় কিন্ত 1tb হার্ডড্রাইভ খুবই সাধারণ একটি সিলেকশন এই বাজেটে বা আরো উপরের বাজেটে ও সেখানে Seagate এর এই ড্রাইভটি ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ হিসেবে বাজারে রয়েছে অনেকদিন ধরেই। ওয়ালটন স্টোরেজ হিসেবে SSD ব্যবহার করে অনেক ভালো একটি কাজ করেছে এর ফলে ওয়ালটন গেমিং কম্পিউটারটির গতি অনেকগুণ বেড়ে যাবে।


এই ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসিতে র‍্যাম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ওয়াল্টনের 3200 Mhz 8GB এর একটি কিট। যেহেতু ওয়াল্টন নিজেরাই র‍্যাম সেল করে বাজারে, সুতরাং তাদের প্রি বিল্ট পিসিতে এই সিলেকশন খুবই স্বাভাবিক। ওয়ালটন ইচ্ছা করলে এই জায়গায় দুইটা স্টিক ব্যবহার করতে পারত অথবা আরো ভালো একটি ব্র্যান্ডের র‍্যাম ব্যবহার করতে পারত। যদি G-Skill Ripjaws ,Corsair Vengeance বা PNY/Patriot এর RGB নিতেন ও দুটি কিট ব্যবহার করতো তাহলে আমি মনে করি সব থেকে বেশি ভালো হতো। অর্থাৎ ৯০% ইউজারেরই এই বাজেটে এখনকার বিল্ডে চয়েস ১৬ জিবি র‍্যাম। কিন্ত গত এক মাস যাবত র‍্যামের বাজারে আগুন লেগেছে , এখন ২৪০০/২৬৬৬ মেগাহার্জ এর র‍্যামগুলোই ৪০০০-৪৫০০ এ চলে গেছে দাম। ৩২০০ মেগাহার্জ এর প্রায় সবগুলো মডেলেরই দাম এখন ৫০০০-৬০০০ রেঞ্জে।


ওয়ালটন গেমিং পিসিতে পাওয়ার সাপ্লাই হিসেবে ব্যবহার করেছে ARC 720W 80+ Bronze PSU। সাধারণত ৭৫০০টাকার আশেপাশে দাম শুরু হয় এই রেঞ্জের PSU গুলো। ওয়াল্টন চাইলেই এখানে একটি 600/650/550 ওয়াটের একটি PSU ব্যবহার করতে পারতো। এতে আরো যৌক্তিক হতো সিলেকশনটি ও বাজেট ও ১৫০০-২০০০/২৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে আসতো। তবে এই বিল্ডের জন্য কেওই ৭২০/৭৫০ ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাই নেন না,নেওয়ার দরকার ও হয় না। ভবিষ্যতে আপনি চাইলে বড় একটি গ্রাফিক্সকার্ড খুব সহজে ব্যবহার করতে পারবেন এই পাওয়ার সাপ্লাইটি ব্যবহার করার কারণ।


কম্পিউটার গেমিং কেসিং

কম্পিউটার গেমিং কেসিং

ওয়ালটন এই জায়গায় একটি সাধারন কেসিং ব্যবহার করছে ওয়ালটন এ জায়গায় চাইলে ভালো মানের একটি কেসিং ব্যবহার করতে পারতো খুব সহজে। কেসিংটি বাংলাদেশ বাজার মূল্য হতে পারে ৩০০০-৩৫০০ টাকা। কাস্টম বিল্ডে কেও কেও ৪৫০০-৫০০০ রেঞ্জের কেস নিতেন একটু বাজেট বাড়িয়ে অথবা ৩০০০-৪০০০ রেঞ্জের অন্য কেস নিতেন এটি না নিয়ে। তবে যেহেতু এটি ওয়াল্টনের প্রি বিল্ট পিসি, তাই র‍্যাম ও এসএসডির মত তাদের এই সিলেকশন ও সম্পুর্ণ যৌক্তিক।

 

ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসি টির কম্পোনেন্ট বিবরণ

GAMING PCModel
OperatingSystem Windows 10 NO
ProcessorAMD Ryzen™ 3 3200G
Memory8GB DDR4 2666MHz RAM
Storage128GB SATA SSD & 1TB HDD
Graphics
Radeon™ RX Vega 8 Graphics
PC CaseCase: Walton

 

Walton Gaming PC Reviews

 

যদিও এই কেসটির সাইড প্যানেল খুলে বেশ কিছু বিস্ময়কর ব্যাপার স্যাপার লক্ষ করা গিয়েছে প্রথমত পেছনের একটি ও সামনের দুটি, মোট ৩টি ফ্যানই exhaust হিসেবে লাগানো ছিল যা সচরাচর হয় না। সাধারণত সামনে ২টি ফ্যান in হিসেবে লাগানো থাকে। এটি কি জেনে শুনে করা হয়েছে নাকি ভুল বশত,সব ইউনিটেই করা হয়েছে নাকি এই ইউনিটে তা নিয়ে নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। এই ওয়ালটন AVIAN WS গেমিং পিসিটি যদি আপনি চিনেন তাহলে সবার প্রথম আপনার কার হচ্ছে ফ্যানগুলো খুলেই সঠিক ভাবে লাগানো। আমি মনে করি এই ধরনের ছোট ছোট বিষয়গুলো ওয়ালটনের ভালোভাবে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। আবার দুটি LED ফ্যান গুলোর মধ্যে একটি পেছনে একটি সামনে লাগানো ছিল যেটাও আরেকটি অদ্ভুত ব্যাপার কেননা দেখে মনে হতে পারে সামনের দুটি LED এর একটি নষ্ট। সাধারণত দুটিই সামনে লাগানো থাকে। কেবল ম্যানেজমেন্ট ভালো ছিল মোটামুটি। এই ধরনের ছোট ছোট ভুল গুলো আমরা কিন্তু ব্র্যান্ড পিসি থেকে আশা করি না।

 

বর্তমান সময়ের কথা চিন্তা করলে ওয়ালটন গেমিং পিসিত টি আমি মনে করি ভালো কিন্তু কিছু বিষয় ওয়ালটনে আরো ভালোভাবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বর্তমান সময়ে এই দামের মধ্যে আপনি মনে করি ওয়ালটনে গেমিং পিসি টি অনেক ভালো। এই দামে অ্যাপ থেকে ভালো গেমিং পিসি আপনি বর্তমানে সময় কোন ভাবে বানাতে পারবেন না। সুতরাং পরিস্থিতি বিবেচনায় সবথেকে ভালো একটি ডিল এখন এইটাই।

 

পারফর্মেন্স কেমন পাওয়া যাবে? Ryzen 5 3600 এর পাওয়ার সম্পর্কে আইডিয়া সবারই কম বেশি আছে, এডিটিং/কন্টেন্ট ক্রিয়েশন/প্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং এর কাজের জন্য বাজেটে অন্যতম সেরা চয়েস এই প্রসেসরটি। সাথে GTX 1650 যেরকম লেভেলের কার্ড এই বিল্ডেও সেরকম পারফর্মেন্স ই পাওয়া যাবে। মোটকথা কাস্টম বিল্ডের মতই পারফর্মেন্স পাওয়া যাবে এই পিসিটি থেকে। তাছাড়া বর্তমান সময়ের সব ধরনের গেম মিডিয়াম সেটিং এ কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই খেলতে পারবেন। বাজেটের কথা চিন্তা করলে আমি পারফর্মেন্স এই মোটামুটি খুশি। বর্তমান সময় আমি মনে করি ওয়ালটনের গেমিং কম্পিউটার ছাড়া এই বাজেটে আমাদের কাছে আর কোন অপশন নেই। আমি মনে করি চোখ বন্ধ করে কিনে ফেলতে পারেন আপনার জন্য ভালো হবে।

 

বর্তমান সময়ের যত গেম আছে সবগুলো গেম medium-high সেটিং এ কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই। এই ওয়ালটন গেমিং পিসিতে সাহায্যে পাবজি পিসি ও ফর্টনাইট ও জিটিএ ফাইভ এর মতো বড়-বড় গেম কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই খেলা যাবে। পাশাপাশি আপনার পছন্দের যে কোন গেম কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই এই কম্পিউটারে খেলতে পারবেন। তাছাড়া আপনার পছন্দের মোবাইল পাবজি অথবা ফ্রী ফায়ার গেম গুলো কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই এই ওয়ালটন গেমিং কম্পিউটারে খেলতে পারবেন। এই কম্পিউটার সম্পর্কে আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে অথবা জানার কোন বিষয়ে থাকে অবশ্য নিচে কমেন্টের মাধ্যমে আমাদেরকে জানাবেন।

 

আমরা সবাই জানি বর্তমান সময়ে কম্পিউটার শুধু গেমিং এর জন্য কেনা হয় না কাজের জন্য কেনা হয়। এই কম্পিউটারের সাহায্যে আপনি সব ধরনের কাজ করতে পারবেন। কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই এই কম্পিউটারের আপনি হাই রেজুলেশনে ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন। পাশাপাশি গ্রাফিক্স ডিজাইনের যতগুলো কাজ আছে সবগুলো কাজই কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই সুন্দরভাবে এই কম্পিউটারে করতে পারবেন। তাছাড়া একটা কম্পিউটারে যত কাজ করা যায় সবগুলো কাজই এই ওয়ালটন কম্পিউটারের সাহায্যে করতে পারবেন।

 

অবশেষে এই ওয়ালটন গেমিং পিসিত সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত মতামত আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হলো। এই কম্পিউটারে ওয়ালটন চাইলে আরো ভালো মানের মাদারবোর্ড ব্যবহার করতে পারত। ভালো একটি মাদারবোর্ড ব্যবহার করলে এই কম্পিউটার থেকে আরো ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া যেত আমি মনে করি। পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট যদি 550 ওয়াটের দিত তাহলে এই কম্পিউটারের জন্য যথেষ্ট ছিল। পাশাপাশি যদি হিটসিংক ওয়ালা র‍্যাম ব্যবহার করতো তাহলে আরো ভালো হতো। এই ৩টি বিষয় ছাড়া এই বিল্ডের বড় কোনো ভুল নেই আমি মনে করি। ৬২/৬৭ হাজার বাজেটে ডিসেন্ট সব প্রোডাক্টের সাথে GTX 1650 GDDR6 অফার করার কারণে Walton AVIAN WS বাজারের সেরা পিসি। আমি মনে করি বর্তমান সময় আমাদের কাছে কোন অপশন নেই এই কারণে আমি মনে করি এই ওয়ালটন গেমিং কম্পিউটার কেনা বুদ্ধিমানের কাজ।

 

আমি যদি আপনাদের মাঝে কোনো ভুল তথ্য শেয়ার করে থাকে অবশ্যই নিচে কমেন্ট এর মাধ্যমে আমাকে জানাবেন। পাশাপাশি ওয়ালটন গেমিং পিসি টি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদেরকে জানাবেন। আমি ভালোভাবে জানি আমার কথা গুলো কিছু মানুষের কাছে ভালো লাগবে আবার কিছু মানুষের কাছে খারাপ পোলা। আমার কথাগুলো আপনার কাছে কেন ভাল লেগেছে অথবা কেন খারাপ লেগেছে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। পাশাপাশি আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে আমাদের ওয়েবসাইটের আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

 


Copyright © 2018-2021 Bangladeshgamer.com